চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা কী ?
চিয়া সিড হলো পুষ্টির পাওয়ারহাউজ এতে প্রচুর ফাইবার ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড,প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ক্যালসিয়াম রয়েছে। এটি ওজন কমাতে ও ব্লাড সুগার নিয়ন্তেণে সাহায্য করে হজমশক্তি বাড়ায় হাড় মজমুত করে এবং হৃদরোগ ঝুঁকি কমায়। চিয়া সিডের প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ
***ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়কঃ চিয়া সিড প্রচুর দ্রবণীয় ফাইবার থাকে যা পানি শোষণ করে জেলির মতো রুপ নেয়। এটি পাকস্থলীতে গিয়ে হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়,ফলে দীর্ঘক্ষণ পেত ভরা থাকে এবং ক্ষুধা কমে যায়।
***হজমে সাহায্য করে ঃ উচ্চমাত্রার ডায়েটারি ফাইবার থাকার কারণে এটি কোষ্ঠকাঠিন্ন্য দূর করতে ভুমিকা রাখে এবং ক্ষুধা কমে যায়।
***হৃদযন্ত্র ভালো রাখেঃ উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩ ফ্যাটি আসিডের অন্যতম সেরা উৎস হলো চিয়া সিড।এটি রক্তের খাবার কোলেস্টেরল কমায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
***রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রনঃ চিয়া সিড ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে এবং ব্লাড সুগার লেভেল উন্নত করতে সাহায্য করে। যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারী।
*** হাড় ও দাঁত মজমুত করেঃ চিয়া সিডে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম,ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে, যা হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং জয়েন্টের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।
*** ত্বক ও চুলের পুষ্টিঃ এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করে।
***খয়ার নিয়ম ঃ সাধারনত এক থেকে দুই চা চামচ চিয়য সিড পানিতে ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রেখে (জেলির মতো হলে) খাওয়া যায়। এছাড়া এটি স্মুদি, দই বা ওসের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।
*** শতরকতাঃ চিয়া সিড অনেক বেশি পানি শোষণ করে।তাই এটি খাওয়ার সময় পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত, অন্যথায় এটি হজমের সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্য করতে পারে।

ইটিসি সেবা নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url